কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই

০৩. ধার্মিক বুর্জোয়া এবং অধার্মিক সর্বহারা

[তৃতীয় খন্ড] নৈতিক সমস্যা এবার আপনি নৈতিক প্রশ্নে আসুন। খ্রীষ্টের নৈতিক চরিত্রকে নিয়ে আমার মনে একটি গভীর সন্দেহ আছে এবং সেটি হল যে তিনি নরকে বিশ্বাস করতেন। আমি নিজে এই ব্যাপারটিকে কিছুতেই মেনে উঠতে পারি না যে খ্রীষ্টের মতো একজন পূর্ণমানব এইরকম চিরশাস্তিকে বিশ্বাস করতে পারেন। সুসমাচারগুলোতে খ্রীষ্টের এমন অনেক ছবি আঁকা হয়েছে যেখানে তাকে […]

০৩. ধার্মিক বুর্জোয়া এবং অধার্মিক সর্বহারা আরও পড়ুন »

০২. ধার্মিক বুর্জোয়া এবং অধার্মিক সর্বহারা

[দ্বিতীয় খন্ড] অভিসন্ধিজাত আলোচনা পরবর্তী পদক্ষেপ আমাদের অভিসন্ধিজাত আলোচনায় (Argument from design) নিয়ে আসে। অভিসন্ধিজাত আলোচনা সম্পর্কে আপনারা সবাই জানেন: জগতের সবকিছুই এমনভাবে তৈরি হয়েছে যাতে জগতে আমরা বেঁচে থাকার উপায় পেতে পারি এবং যদি এই জগৎ একটুখানি অন্যরকম হত তবে আমরা এখানে বেঁচে থাকার উপায় পেতাম না। এটাই অভিসন্ধিজাত বিষয়। বিষয়টি কখনও কখনও কৌতূহলোদ্দীপক

০২. ধার্মিক বুর্জোয়া এবং অধার্মিক সর্বহারা আরও পড়ুন »

০১. ধার্মিক বুর্জোয়া এবং অধার্মিক সর্বহারা

[প্রথম খন্ড] [১৯২৭ সালের মার্চ মাসের ৬ তারিখে জাতীয় ধর্ম-নিরপেক্ষ সমাজের দক্ষিণ লন্ডন শাখার দ্বারা আয়োজিত বাটেরেসা টাউন হলে উক্ত বিষয়ে এক ভাবগম্ভীর অনুষ্ঠানে বাট্রান্ড রাসেলের দ্বারা প্রদত্ত ভাষণ] এতক্ষণ আপনাদের সামনে শ্রদ্ধেয় সভাপতি মহাশয় যে বিষয়ে তাঁর বক্তব্য রাখলেন উক্ত বিষয় প্রসঙ্গে এই মনোজ্ঞ রাতে আমি আমার বক্তব্য পেশ করতে চলেছি। বিষয়টি হল, কেন

০১. ধার্মিক বুর্জোয়া এবং অধার্মিক সর্বহারা আরও পড়ুন »

০০. বার্ট্রান্ড রাসেলের দর্শন

[ ভূমিকা ] বার্ট্রান্ড রাসেল আধুনিক যুগের এক আশ্চর্য কর্মঠ চিন্তাবিদ। ১৯১৪ সাল, রাসেল তখন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। সেই সময় তিনি বক্তৃতা দিয়েছিলেন জ্ঞানতত্ত্ব বিষয়ে। প্রথম মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর কোমল মনের এই শান্তিপ্রিয় দার্শনিক সভ্য দেশগুলির বর্বরতায় সব থেকে বেশি আঘাত পেয়েছিলেন। সেইসময় তিনি বক্তৃতা দিয়েছিলেন এক দূরবর্তী বিষয় সম্পর্কে–‛বহির্বিশ্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান’। কেননা

০০. বার্ট্রান্ড রাসেলের দর্শন আরও পড়ুন »

Scroll to Top
Scroll to Top