বিবর্তনের পথ ধরে

বন্যা আহমেদ

০১. ফসিল রেকর্ড

 ফসিল রেকর্ড

  • চিত্র ১ঃ  গত কয়েক বছরে ফসিলবিদেরা বেশ কিছু পালক এবং ডানাসহ ডায়নােসর এর ফসিলের সন্ধান পেয়েছেন চায়নায়। বিজ্ঞানীরা বহুকাল ধরেই ধারণা করে আসছিলেন যে, ডায়নােসর থেকেই আধুনিক পাখির বিবর্তন ঘটেছে। নব্য আবিষ্কৃত এই ফসিলগুলাে ডায়নােসর এবং পাখির মধ্যবর্তী স্তরের মিসিং লিঙ্কের প্রতিনিধিত্ব করে [১]
  • চিত্র ২ঃ  পাথরের গায়ে টারশিয়ারি যুগের (৫ থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে)  Salix sp এর পাতার ফসিল [২]
  • চিত্র ৩ঃ  এটাই সেই বিখ্যাত লুসি’র কঙ্কালের ফসিল। ১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ায় প্রায় ৩২ লক্ষ বছরের পুরনাে Australopithecus afarensis, এর এই ফসিলটি পাওয়া যায়। এ ধরণের বিভিন্ন ফসিল থেকেই বিজ্ঞানীরা আধুনিক মানুষের এবং তাদের পূর্ববর্তী প্রজাতি। গুলাের বিবর্তনের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পেরেছেন [৩]

হ্যা, এগুলাে ফসিলেরই ছবি। বিজ্ঞানীরা বহু শতাব্দী ধরেই এ ধরনের বিভিন্ন ফসিলের নমুনা সংগ্রহ করে আসছেন, এরকম হাজার হাজার ফসিলের সংগ্রহ রয়েছে পৃথিবীর নানা যাদুঘরে। আগের পর্বে উল্লেখ করেছিলাম যে, ইদানীং অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন যে, জীবের ডি.এন.এর মধ্যে লেখা ইতিহাস থেকেই বিবর্তনের সম্পূর্ণ ইতিহাসটা পড়ে ফেলা সম্ভব। কিন্তু ডি.এন.এর আবিষ্কার তাে হয়েছে মাত্র অর্ধ শতাব্দী আগে, তার আগে ফসিল রেকর্ডই ছিলাে বিবর্তনের অন্যতম প্রধান সাক্ষ্য। ভবিষ্যতে আমরা জীবের ডি.এন.এ থেকেই যে তার অতীত বর্তমান ভবিষ্যতের অনেক কিছু বলে দিতে পারবাে তাতে কোন সন্দেহই নেই।

তবে এই মুহুর্তে হাঁটি হাঁটি পা পা করে জেনেটিক্সের বিভিন্ন শাখা বেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হলেও তারা এখনও শৈশবের চৌকাঠই পেরােতে পারেনি। বিবর্তনের বিভিন্ন তত্ত্বের প্রমাণ এবং সময়সীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার বিভিন্ন ধরণের সীমাবদ্ধতার ফাঁক পূরণ করতে এখনও কিন্তু এই ফসিল রেকর্ডগুলােই ভরসা! আসলে ফসিল রেকর্ডগুলাে না থাকলে সেই উনিশ শতাব্দীতে বসে ডারউইনসহ অন্যান্য বিজ্ঞানীরা এত সহজে বিবর্তনের তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ থেকে যায়।

গত দেড়শাে বছরে ফসিলবিদরা হাজার হাজার ফসিলের সন্ধান পেয়েছেন এবং সেগুলো বিবর্তনবাদের তত্ত্বকে আরও যে জোড়ালাে করেছে শুধু তাইই নয়, এখন পর্যন্ত এমন একটাও ফসিল পাওয়া যায়নি যা প্রাণের বিবর্তনের ধারাবাহিকতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। যেমন ধরুন মানুষ প্রজাতির বিবর্তন ঘটেছে মাত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার বছর আগে, এখন যদি হঠাৎ করে মেসােজয়িক (প্রায় ২৫-১৫ কোটি বছর আগে), প্যালিওজয়িক (প্রায় ৫৪-২৫ কোটি বছর আগে), প্রিক্যাম্বিয়ান (প্রায় ৩৫০-৫৪ কোটি বছর আগে) যুগে মানুষের ফসিল পাওয়া যেতে শুরু করে তাহলে তাে বিবর্তনবাদী জীববিজ্ঞানীদের সামনে নিজ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য কোন পেশা গ্রহণ করা করা ছাড়া আর কোন উপায় খােলা থাকবে বলে তাে মনে হয় না।

আবার ধরুন, প্রায় সময়ই বিবর্তন-বিরােধীরা বেশ জাঁকিয়ে বসে বিজ্ঞানীদের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন – বাপু তােমরা ছােট খাটো পরিবর্তনগুলাে নিয়ে হইচই করে কুল পাচ্ছাে না, কই বড় বড় পরিবর্তনগুলাের (ম্যাক্রো-ইভলুশন) তাে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারছে না। বলছাে ডায়নােসর থেকে পাখির বিবর্তন ঘটেছে, দেখাও তাে দেখি তাদের মধ্যবর্তী স্তরগুলাের বিবর্তনের নমুনা, কোথায় সেই মধ্যবর্তী ফসিল (Transitional Fossil) বা হারানাে যােগসূত্রগুলাে (Missing Link)?

সমুদ্রের তিমি মাছ, ডলফিনরা নাকি একসময় জলহস্তিদের মত ডাঙ্গার প্রাণী ছিলাে, তারপর কথা নেই বার্তা নেই একসময় নেমে গেলাে পানিতে – এরকম অদ্ভুতুরে একটা পরিবর্তন ঘটে গেলাে তার মধ্যবর্তী ফসিলগুলাে গেলাে কোথায়? এ ধরণের চটকদার প্রশ্নগুলাে একসময় বিবর্তনকে ঠেকানাের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী ‘অস্ত্র ছিলাে, কিন্তু ওগুলাের আবেদন অনেক আগেই ফুরিয়েছে। আসলে বিবর্তনবাদ বিরােধীদের জন্য গত শতাব্দীটা আসলে বেশ দুঃখজনকই ছিলাে বলতে হবে। বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত অধ্যবসায় এবং পরিশ্রমের ফলে আমরা ক্রমাগত একটার পর একটা ফসিলের সন্ধান পেয়েছি, যা তাদের বেশীরভাগ প্রশ্নেরই সমাধান দিতে পারে। যদিও জীনের গঠন, কোষের ভিতরে মিউটেশন এর বিভিন্ন পর্যায় কিংবা ডি.এন.এর গাঠনিক সংকেত ভেদ করার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা বিবর্তন সম্পর্কে অনেক তথ্যই বের করতে পেরেছেন, তারপরও ফসিল রেকর্ড ছাড়া বিবর্তন নিয়ে আলােচনা করা আক্ষরিক অর্থে অসম্ভবই বলতে হবে।

ফসিল রেকর্ডগুলাে নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে আমরা প্রাণের বিবর্তন সম্পর্কে কিছু মৌলিক তথ্য জানতে পারি, যেগুলাে হয়তাে শুধুমাত্র বর্তমানের জীবগুলােকে পরীক্ষা করে এতাে সহজে জানা সম্ভব হতাে না। পৃথিবীর দীর্ঘ সাড়ে তিনশাে কোটি বছরের প্রাণের ইতিহাসের সরাসরি সাক্ষী এই ফসিলগুলাে, তারা ধারণ করে রেখেছে এই গ্রহে প্রাণের অফুরন্ত কোলাহলের নীরব পদচিহ্ন।

আমরা বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক যুগের প্রাণীদের দেহের গঠন, সময়ের সাথে সাথে তাদের তুলনামুলক পরিবর্তন দেখতে এবং তা পরিমাপ করতে পারি ভূত্বকের বিভিন্ন স্তরে খুঁজে পাওয়া ফসিলগুলাের মাধ্যমে। তারাই আমাদের বলে দিচ্ছে কত বিচিত্র রকমের জীবের অস্তিত্ব ছিলাে এই ধরণীতে, তাদের মধ্যে কেউবা এখনও প্রবল পরাক্রমে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে, কেউবা হারিয়ে গেছে বিস্মৃতির অতলে। ফসিল রেকর্ড থেকে একদিকে যেমন আমরা প্রাণের বিকাশের এবং বিবর্তনের ধারার সরাসরি কালানুক্রমিক প্রমাণ পাচ্ছি, পাচ্ছি প্রাগৈতিহাসিক সময়কার আবহাওয়া, জলবায়ু কেমন ছিলাে তার নমুনা, জানতে পারছি কখন কোন প্রজাতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে, তেমনিভাবেই বুঝতে পারছি কখন গণবিলুপ্তির হাত ধরে হারিয়ে গেছে প্রজাতির পর প্রজাতি।

আসলে আমরা ফসিল থেকে বিবর্তনের তত্ত্বের দু’টো মূল বিষয় সম্পর্কে অত্যন্ত পরিস্কার ধারণা পাই। এক হচ্ছে, প্রজাতির ভিতরেই কিভাবে ধীরে ধীরে পরিবর্তন ঘটেছে বিভিন্ন জীবের গঠন এবং রূপের সেটি, আর তারপর এই ক্রমাগত পরিবর্তনের ফলেই কখন জন্ম নিয়েছে নতুন নতুন সব বৈচিত্রময় প্রজাতির।

আবার অন্যদিকে এই ফসিল রেকর্ডগুলাে বিশেষ অবদান রেখেছে মহাদেশগুলাে সরে যাওয়া বা মহাদেশীয় সঞ্চারণ এবং প্লেট টেকটোনিক্স এর তত্ত্ব আবিষ্কারের পিছনে। এই দু’টি বিষয় ভূতত্ত্ববিদ্যার জগতে বিপ্লব এনেছে – পদার্থবিদ্যা বা রসায়নবিদ্যায় অনু-পরমানুর গঠন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, কিংবা জীববিদ্যায় বিবর্তনবাদ যেমন অপরিহার্য ঠিক তেমনিভাবে ভুতত্ত্ববিদ্যার ভুবনে মৌলিক একটি তত্ত্ব হচ্ছে এই প্লেট টেকটোনিক্স[৪]। ফসিলের কথা বলতে গেলেই বিভিন্ন ধরণের শিলা, শিলাস্তর, কোন শিলা স্তরে কেন এবং কিভাবে ফসিল তৈরি হয় এই ধরণের প্রসংগগুলাে চলে আসে। একমাত্র প্লেট টেকটোনিক্সের মাধ্যমেই এদের উৎপত্তি, গঠন এবং সঞ্চরণের ব্যাপারটা সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।

সেই ষোল’শ শতাব্দীতে, ১৫৯২ সালে, হল্যান্ডের আব্রাহাম ওরটেলিয়াস (Dutch map maker Abraham Ortelius) প্রথম বলেছিলেন যে, আমেরিকা মহাদেশ আসলে ইউরােপ এবং আফ্রিকা থেকে ভেঙে সৃষ্টি হয়েছিলাে। তারপর তিন শতাব্দীরও বেশী সময় কেটে গেলাে, এবার জার্মান আবহাওয়াবিদ স্যলফ্রে ওয়েগেনার বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া এই তত্ত্বটিকে আবার নতুন আঙ্গিকে প্রতিষ্ঠিত করার চেস্টা করলেন ১৯১৫ সালে। তিনি বলেন, আদিতে সবগুলো মহাদেশ আসলে একসাথে ছিলাে এবং তিনি এর নাম দিলেন “প্যানজিয়” বা “সমগ্র পৃথিবী”।

প্রায় ২০০ মিলিয়ন বছর আগে এই প্রকান্ড সুপার মহাদেশটি হতে শুরু করে, তারপর থেকে ক্রমাগতভাবে তারা সরে যাচ্ছে,  এবং সরতে সরতে আজকের এই অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। ওয়েগেনার বললেন, আফ্রিকার পশ্চিম ধার এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব ধারের খাজগুলাে একেবারে যেনাে খাপে খাপে মিলে যাচ্ছে, আবার এদিকে বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে খুঁজে পাওয়া ফসিলের সাদৃশ্য দেখলে বােঝা যায় যে তারা একসময় একসাথেই ছিলাে। কোন সৃষ্টিকর্তা বিভিন্ন জীবকে সৃষ্টি করে বিভিন্ন মহাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন, এই ব্যাখ্যাটা যেমন বিজ্ঞানীদের কাছে, গ্রহনযােগ্য নয়, ঠিক তেমনিভাবেই সেই আদিম কালে সমুদ্র মহাসমুদ্র পাড়ি দিয়ে এই প্রাণীগুলাে হাজার হাজার মাইল দূরের বিভিন্ন মহাদেশে পৌঁছে গিয়েছিলাে তাও সঠিক বলে মনে হয় না।

মহাদেশীয় সঞ্চরণ এবং তার বিভিন্ন পর্যায়
মহাদেশীয় সঞ্চরণ এবং তার বিভিন্ন পর্যায়

বিভিন্ন মহাদেশে। ছড়িয়ে থাকা ফসিলগুলাের প্যাটার্ন দেখলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় গাছের ফসিল কেনাে পাওয়া যাচ্ছে বরফাচ্ছাদিত মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকায়, কিংবা গরম দেশের ফার্নগুলাের ফসিলই বা কেনাে দেখা যাচ্ছে হিমশীতল মেরু অঞ্চলে? তাহলে কি এই অ্যান্টার্কটিকা এক সময় দক্ষিণ মেরুর এত কাছাকাছি ছিলাে না?

বিজ্ঞানীরা পরবর্তীতে এধরনের আরও অনেক মিল খুঁজে পেয়েছেন – যেমন ধরুন, ডায়নােসরের চেয়ে পুরনাে এক সরীসৃপ মেসােসরাসের ফসিল দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকায় একই শীলাস্তরে খুঁজে পাওয়া গেছে, কিংবা দক্ষিণ আমেরিকার  লুপ্ত মারসুপিয়ালদের ফসিল পাওয়া গেছে অ্যান্টার্কটিকা এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে। শুধু তাই নয়, দেখা গেলাে দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকার বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক যুগের এবং স্তরের শিলাগুলােও মিলে যাচ্ছে একে অপরের সাথে। বিভিন্ন মহাদেশের শীলাস্তর এবং ফসিলের মধ্যে সাদৃশ্য এবং এরকম তীব্র জলবায়ুর পরিবর্তনের একটাই ব্যাখ্যা হতে পারে – এই মহাদেশগুলাে এখন যে অবস্থানে রয়েছে অতীতে তারা সেখানে ছিলাে না।

কিন্তু দুঃখের বিষয় যে সে সময় বিজ্ঞানীরা মহাদেশগুলাের স্থিরতায় বিশ্বাস করতেন, ওদিকে আবার ওয়েগেনারও এই বিশাল সঞ্চরণের কারণ কি হতে পারে তার কোন গ্রহনযোগ্য বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হাজির করতে পারলেন না। আর তার ফলে যা হবার তাই হল, বিজ্ঞানীরা এই তত্ত্বটিকে আবারও অগ্রাহ্য করলেন। কিন্তু  ষাটের দশকে প্লেট টেকটোনিক্স তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বােঝা গেলাে যে ওয়েগেনারের মহাদেশীয় সঞ্চরণের ধারণাটি আসলে সঠিকই ছিলাে। ভূতাত্ত্বিক ম্যাপের উপর বিস্তৃত বিভিন্ন ধরণের শিলার গঠন বা প্যাটার্ন, পাহাড়, ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরীর উৎপত্তি অথবা মহাদেশীয় সঞ্চরণের মত ব্যাপারগুলাের ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব এই তত্ত্বের মাধ্যমে।

মহাদেশীয় সঞ্চরণের তত্ত্ব যদি ঠিক হয়ে থাকে তাহলে সব মহাদেশগুলােকে একত্রিত করে তাদের বিভিন্ন স্তরে ফসিল রেকর্ডগুলােকে দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন দেখাতে বাধ্য হবে। ওয়েগেনার সহ অন্যান্য বিজ্ঞানীদের এই ধারণাই শেষ পর্যন্ত সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। এখানে মাত্র কয়েকটা ফসিলের প্যাটার্ন দেখানো হল।
মহাদেশীয় সঞ্চরণের তত্ত্ব যদি ঠিক হয়ে থাকে তাহলে সব মহাদেশগুলােকে একত্রিত করে তাদের বিভিন্ন স্তরে ফসিল রেকর্ডগুলােকে দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা একটা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন দেখাতে বাধ্য হবে। ওয়েগেনার সহ অন্যান্য বিজ্ঞানীদের এই ধারণাই শেষ পর্যন্ত সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। এখানে মাত্র কয়েকটা ফসিলের প্যাটার্ন দেখানো হল।

 বিবর্তনের পথ ধরে


১.↑  Futuyma DJ (2005), Fossil 1. Feathered bird: Evolution, p.75, Sinauer Associates, INC, MA, USA. And see this↑

২.↑  Fossil2: salix sp.from Tertiary Period↑

৩.↑  Fossil 3. Lucy: Natural history Museum, London↑

৪.↑  Futuyma DJ (2005), Evolution, p.71 Sinauer Associates, INC, MA, USA

শেয়ার করুন —
0 0 votes
Post Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
মন্তব্য করুনx
()
x
Scroll to Top
১ম অধ্যায়

২য় অধ্যায়

৩য় অধ্যায়

৪র্থ অধ্যায়

৫ম অধ্যায়

৬ষ্ঠ অধ্যায়

৭ম অধ্যায়

৮ম অধ্যায়

৯ম অধ্যায়

১০ম অধ্যায়

১১ম অধ্যায়

পরিশিষ্ট
রঙ্গীন প্লেট

বিবর্তন সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো

গ্রন্থ আলোচনা