মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে

অভিজিৎ রায় ও ফরিদ আহমেদ

০১. ওই সুদূর নীহারিকায়

মানব সভ্যতা বিকাশের বহু বহু আগে, সুপ্রাচীন কালে, কোন এক শ্বেতশুভ্র মায়াবী পুর্ণিমা রাতে, হয়তাে আমাদেরই কোন এক পুর্বপুরুষ অসীম কৌতুহল নিয়ে মাথা তুলে তাকিয়েছিল সুবিস্তৃত আকাশের অনন্ত নক্ষত্রবীথির দিকে। অপরিণত বুদ্ধিমত্তা আর সীমাবদ্ধ জ্ঞান নিয়ে বােঝার চেষ্টা করেছিল এই বিশ্বব্রহ্মান্ডসহ নিজের উৎপত্তির অপরিসীম রহস্যকে। রহস্যের কূল কিনারা করতে পারুক আর নাই পারুক, দুর্দমনীয় এই কৌতুহলকে আমাদের সেই পুর্বপুরুষ খুব সফলভাবেই ছড়িয়ে দিতে পেরেছিল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।

আদি পুরুষের সেই অনুসন্ধিৎসা উত্তরাধিকারসূত্রে মানুষ এখনাে বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আজন্ম তার রক্তের মধ্যে। তাই হয়তাে অজানাকে জানা আর রহস্য উন্মোচনে মানুষ দুর্দমনীয়, ক্লান্তিহীন। নাছােড়বান্দার মতাে সৃষ্টির আদি এবং অন্তকে ছিঁড়ে খুঁড়ে ব্যবচ্ছেদ করার অদম্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে নিরন্তর। কোথা থেকে বিশ্বজগতের সুত্রপাত আর কোথাই বা শেষ, কোন অমর্তলােক থেকে যাত্রা আমাদের, কেনই বা আমরা এই পৃথিবীতে, কিই বা এর উদ্দেশ্য এহেন হাজারাে কৌতুহল আর উত্তরহীন জিজ্ঞাসা মানুষকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়িয়েছে শতাব্দী থেকে শতাব্দী।

বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে মানুষ যখনই জেনেছে যে, রাতের আকাশের আলােকরাজী আর কিছুই নয় বরং আমাদের সুর্যের মতােই অগুণতি সুর্যের সমাহার, তখনই সচেতনভাবে মানুষের চিন্তায় এসেছে, অনন্ত অসীম এই মহাবিশ্বে তাহলে কি শুধু আমরাই আছি? নাকি আমাদের দৃষ্টি এবং বােধসীমার বাইরে সুবিস্তৃত বিশ্বজগতের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আমাদেরই মতাে বা আমাদের চেয়েও উন্নত অসংখ্য সভ্যতা?

মেঘহীন পরিষ্কার আকাশে খালি চোখে আমরা মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখতে পাই, যা প্রকৃত সংখ্যার অতি নগন্য অংশ মাত্র। শুধুমাত্র আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথেই নক্ষত্রের সংখ্যা চারশ বিলিয়নের মতাে। হাবল মহাকাশ টেলিস্কোপের মাধ্যমেই পঞ্চাশ থেকে একশ বিলিয়ন ছায়াপথ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। সুবিশাল এই মহাবিশ্বের অনন্ত নক্ষত্রমালার কোন কোন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব থাকাটা আর যাই হােক না কেন অসম্ভব যে নয় তা যে কোন একটা বাচ্চা ছেলেও বুঝবে।

বিজ্ঞানীদের মতে প্রাণ প্রাকৃতিক প্রপঞ্চ যা অনুকুল পরিবেশ পেলেই বিকশিত হয়ে উঠে। আগের অধ্যায়ে আমরা দেখেছি, উৎপত্তির পর তুলনামূলকভাবে খুব কম সময়েই পৃথিবীতে প্রাণ তার আগমনী সঙ্গীত গেয়েছে। কাজেই একই ধরনের পরিবেশ পেলে, যে সমস্ত নক্ষত্র আমাদের সুর্যের মতাে সেগুলাের গ্রহতেও প্রাণের বিকাশ ঘটা খুব একটা অসম্ভব কিছু নয়।

পৃথিবী নিঃসন্দেহে প্রাণের এক উর্বর বিচরণভূমি। ফল্গুধারার মতাে বিকশিত হয়েছে প্রাণ এখানে। যে দিকে তাকানাে যায় শুধু প্রাণ আর প্রাণ। বিচিত্র সব প্রাণের সমাহারে নন্দিত আমাদের এই বসুন্ধরা। কিন্তু সাড়ে চার বিলিয়ন বছর আগে জন্ম নেওয়া এই ধরনী প্রাথমিক পর্যায়ে প্রাণের জন্য মােটেই সৌহার্দ্যমূলক ছিলনা। প্রথম এক বিলিয়ন বছর বা তার কিছু সময় পর পৃথিবীতে গলিত প্রস্তর এবং এসিডের মহাসাগরে স্থিতিবস্থা আসে। জীববিজ্ঞানীরা সাড়ে তিন বিলিয়ন বছরের পুরনাে স্তরীভূত প্রস্তর উদ্ধার করেছেন যার মধ্যে পাওয়া গেছে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এককোষী সায়ানােব্যকটেরিয়ার (Cyanobacteria) ফসিল ।

stomatolite
অস্ট্রেলিয়ার শার্ক অববাহিকায় গড়ে ওঠা স্ট্রোমাটোলাইটের ছবি। লস এঞ্জেলসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের | জে উইলিয়াম স্কোফ ৩৬০ কোটি বছরের পুরােন স্ট্রোমাটোলাইটের ধবংসাবশেষের সন্ধান পেয়েছেন। অ৫০ কোটি বছরের পুরােন জীবাশ্মের সাথে আধুনিক সায়নােব্যাকটেরিয়ার মিল পাওয়া যায়।

এই সরল প্রাণের সুদীর্ঘ বয়সই প্রমাণ করে পৃথিবীর উৎপত্তির মাত্র এক বিলিয়ন বছরের মধ্যেই পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব ঘটেছিল। এতাে সহজেই যদি পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ ঘটতে পারে তবে সুবিশাল এবং সুবিস্তৃত মহাবিশ্বের অন্য কোথাও যে এর বিকাশ হয়নি তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়!

চরমজীবীদের রাজত্বে

ষাটের দশকে আমেরিকান জীববিজ্ঞানী টমাস ব্রক (Thomas Brock) এবং তার সহকর্মীরা ওয়াইওমিং এর ইয়েলােস্টোন ন্যাশনাল পার্কের ১৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার উষ্ণ প্রসবনে এক ধরনের সরলাকৃতির অণুজীব (Microbes) আবিষ্কার করেন। বেশীরভাগ জটিল কোষী প্রাণীই এই তাপমাত্রায় টিকে থাকতে পারে না। যে সমস্ত প্রাণ এই ধরনের ভয়ংকর বৈরি পরিবেশে টিকে থাকতে পারে তাদেরকে বলা হয় চরমজীবী (Extremophile)। পৃথিবীতে বেশ কয়েক ডজন চরমজীবীর অস্তিত্ব রয়েছে। কিছু কিছু চরমজীবী আছে যারা পৃথিবীর যেকোন পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম।

জীববিজ্ঞানীরা এন্টার্কটিকার লেক ভােস্টক এবং সাইবেরিয়ার জমাট বরফের মধ্যেও অণুজীব খুঁজে পেয়েছেন। কিছু অণুজীব আবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এসিডিক বা বেশি ক্ষারীয় পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। অতিরিক্ত লবনাক্ততা যে কোন প্রাণীর জন্যেই ক্ষতিকর, অথচ কিছু অণুজীব আছে যারা তেল খনির বা লবনের খনির মধ্যেও বসবাস করে। চিলির আটাকামা মরুভূমি যেখানে গত ১০০ বছরেও বৃষ্টি হয়নি সেখানেও বহাল তবিয়তে বেঁচে বর্তে আছে কিছু কিছু অণুজীব। আমরা যখন এ বইটি লিখছি ঠিক সেসময় ‘ওয়ার্ড সায়েন্স’ (অক্টোবর ১৯, ২০০৬)-এর একটি রিপাের্টে দেখলাম বিজ্ঞানীরা মাটির ২.৮ কিলােমিটার গভীরে সােনার খনিতে একধরনের ‘চরম জীবী’ অণুজীব খুঁজে পেয়েছেন যারা সূর্যের আলাের বদলে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তাকে শক্তির আধার হিসেবে ব্যবহার করে।

তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত চরমজীবী হচ্ছে নল কৃমি (Tube worm)। সমুদ্র তলদেশের গভীর ফাটলে বসবাস এদের। পানির ভয়াবহ চাপ, গভীর অন্ধকার, ২৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের চেয়েও বেশি তাপমাত্রা এবং ফাটল থেকে নির্গত ভয়ংকর রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতিকে উপেক্ষা করেও এরা টিকে আছে। টিউব ওয়ার্মের ভিতরে একধরনের ব্যাক্টেরিয়া থাকে যাদের নাম Pyrolobus fumarii. এরা এই তাপমাত্রায় এমনভাবে অভ্যস্ত যে তাপমাত্রা কিছুটা কমে একশ পচানব্বই ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌছুলেই তারা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়, এমন একটা ভাব যেন তারা ‘ঠাণ্ডায় জমে যাচ্ছে’!

প্রাণের এই ব্যাপক বৈচিত্র থাকা সত্ত্বেও জীববিজ্ঞানীরা পৃথিবীর সকল প্রজাতির প্রাণকে তিনটি এলাকায় (Domain) ভাগ করেছেন। সমস্ত বৃহৎ ও জটিলকোষী প্রাণী এবং উদ্ভিদ নিয়ে গড়ে উঠেছে প্রকৃতকোষী (Eukarya)। যে সকল এককোষী প্রাণ যাদের কোষে কোন নিউক্লিয়াস নেই তাদেরকে নিয়ে ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) এবং নিউক্লিয়াসবিহীন আদিম প্রাণ যাদের কোষের প্রাচীর ব্যাক্টেরিয়ার থেকে ভিন্ন তাদের সমন্বয়ে আদিকোষী (Archaea)। প্রতিটি ভাগের প্রজাতিসমূহ একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। তিনটি এলাকাই আবার একই উৎস থেকে এসেছে। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস গভীর সমুদ্রে বসবাসকারী এব ধরনের চরমজীবী Methanopyrus-এর পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীর প্র-প্র পিতামহ হওয়ার যাবতীয় বৈশিষ্ট্যই রয়েছে। এর অর্থ একেবারেই পরিস্কার। প্রাণের উৎপত্তির পর থেকে পৃথিবীর সকল জীবই একে অন্যের আত্মীয়!

প্রাণের প্রকৃতি

আমরা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে কিংবা ইটির মত চলচিত্রে কিম্ভুতকিমাকার মহাজাগতিক প্রাণীদের বর্ণনা পাই যারা আমাদের এই প্রিয় পৃথিবীটা আক্রমণ করার জন্য মুখিয়ে আছে। তাদের থাকে সবুজ চামড়া, বিশাল বিশাল চোখ আর বড় বড় অ্যান্টেনা। কিন্তু বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর লেখক কিংবা চিত্রশিল্পীরা একেবারেই কল্পণার গডডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেন। এমন মনে করার আসলে কোনােই কারণ নেই অন্য কোন গ্রহের প্রাণ দেখতে হবে অনেকটা সরীসৃপ অথবা একটা কীটপতঙ্গ অথবা মানুষের মতাে; কিংবা তাদের ‘কসমেটিক এডজাস্টমেন্ট’ হিসেবে থাকবে সবুজ চামড়া, বিন্দুবৎ কান এবং এন্টেনা! বহির্জাগতিক প্রাণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কার্ল স্যাগান সঙ্গত কারণেই তাই বলতেন,

‘আমি কল্পবিজ্ঞানের ঐ ধরণের বহির্জাগতিক প্রাণীগুলাের আকার আকৃতি সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গীর বেশিরভাগ গুলাের সাথেই একমত নই।’

পৃথিবীতে প্রাণের সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং অনন্যসাধারণ উপাদান হচ্ছে ডিএনএ অণু। কয়েক হাজার পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত হয় এক একটি ডিএনএ অণু। এই অণুর এক একটি অবিশ্বাস্যভাবে বিপুল সংখ্যক তথ্য বহন করে থাকে। ডিএনএ-র বৈচিত্রের কারণেই। পৃথিবীতে উদ্ভব হয়েছে নানাবিধ প্রজাতির।

প্রশ্ন হচ্ছে, মহাবিশ্বের অন্য কোথাও ডিএনএ-র অস্তিত্ব আছে কিনা। ডিএনএ অণু যেহেতু কার্বন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং আরাে কিছু পরমাণু দিয়ে গঠিত, মহাবিশ্বের অন্য কোথাও ডিএনএর অস্তিত্বের সম্ভাবনাকে একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, কার্বন, অক্সিজেন, হাইড্রোজন, নাইট্রোজেন বা ফসফরাসময় পরিবেশ মহাবিশ্বের প্রায় সর্বত্রই বিদ্যমান। তবে এটাও সত্যি যে, ডিএনএ-র জটিল কাঠামাে যা একে তথ্য বহনকারী হিসাবে তৈরি করেছে তা কিভাবে উদ্ভত হয়েছে সেটা বলা খুবই কঠিন। কাঁচামাল সহজলভ্য হলেও ডিএনএ-র উদ্ভব আচমকা এবং সৌভাগ্যপ্রসুত বিষয় বলেই বিবেচিত হয়ে আসছে অনেকদিন ধরে।

অবশ্য আরাে একটি ভিন্ন ধরনের সম্ভাবনাও আছে। মহাবিশ্বের অন্য কোথাও হয়তাে ভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ভিত্তিতে ভিন্নভাবে বিকাশ ঘটেছে প্রাণের। প্রাণ বলতে যদি এমন ব্যবস্থাকে বােঝানাে হয় যার ভৌত ভিত্তি নির্ভর করে শক্তি সংগ্রহ, সঞ্চয় এবং তা ব্যবহারের মাধ্যমে কাজে লাগানাে তাহলে এমনকি ‘অরাসায়নিক’ প্রাণেরও সম্ভাবনা থাকতে পারে। এমনকি তা হতে পারে আয়ােনাইজড় গ্যাস কিংবা বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করেও। আমাদের পার্থিব প্রাণের ভৌত ভিত্তি হল কার্বন পরমাণুর রসায়ন।

এই কার্বন পরমাণু অসংখ্য বন্ধন তৈরি করছে দুটো কারণে: আইসােমারিজম এবং ক্যাটিনেশন; ফলে গঠিত হতে পারে লম্বা, জটিল ও স্থায়ী শৃঙ্খল। কার্বনের পরিবর্তে অনেক বিজ্ঞানীই মহাজাগতিক প্রাণের ভিত্তি হিসাবে সিলিকনকে কল্পনা করেছেন। কার্বনের মতাে সিলিকনও চারটি রাসায়নিক বন্ধন গঠন করতে পারে। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, প্রাণের ক্ষেত্রে যেমন জড়িত রয়েছে কার্বনভিত্তিক অসংখ্য রাসায়নিক বিক্রিয়া, ঠিক তেমনই একইভাবে কার্বনের মতাে সিলিকনভিত্তিকও অসংখ্য রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটতে পারে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পৃথিবীতে কার্বনের তুলনায় সিলিকন ১৩৫ গুণ বেশী পরিমানে বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও এখানে সিলিকনভিত্তিক প্রাণের বিকাশ ঘটেনি। এর কারণ বােধ হয় এই যে, সিলিকনের বন্ধন কার্বনের মত এতটা শক্তিশালী নয়, এবং ডবল বন্ধনও অতােটা সহজে তৈরি হয় না। সিলিকন পরমাণুর আকার কার্বন পরমাণুর চেয়ে বড়। বৃহৎ এই আকৃতির কারণে সিলিকন কার্বনের মতাে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করতে পারে না। যে সমস্ত রাসায়নিক পদার্থ হাইড্রোজেন বন্ধনকে ব্যবহার করে থাকে সেগুলাে সাধারণত কাঠামােগতভাবে শক্তিশালী ও নমনীয় হয়ে থাকে। সমস্ত বিষয়ের বিবেচনায় অনেকের কাছেই কার্বন জীবন গঠনের সর্বশ্রেষ্ঠ উপাদান হিসাবে বিবেচিত। এর ফলাফল হচ্ছে, আমাদের জীববিজ্ঞানীদের যাবতীয় গবেষণা অস্বস্তিকরভাবে ওই একই ধরনের কার্বন ভিত্তিক জীববিজ্ঞানের কারাগারে বন্দি।


 মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে

শেয়ার করুন —
0 0 votes
Post Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
মন্তব্য করুনx
()
x
Scroll to Top
১ম অধ্যায়

২য় অধ্যায়

৩য় অধ্যায়

৪র্থ অধ্যায়

৫ম অধ্যায়

৬ষ্ঠ অধ্যায়

৭ম অধ্যায়

৮ম অধ্যায়

৯ম অধ্যায়

গ্রন্থ আলোচনা/সমালোচনা