লন্ডনে ফেলুদা

সত্যজিৎ রায়

লন্ডনে ফেলুদা

টেলিভিশনটা কিনে কোনও লাভ হল না মশাই বললেন লালমোহনবাবু। দেখার মতো কিসু থাকে না। রামায়ণ মহাভারত দুটোই দেখতে চেষ্টা করেছি। পাঁচ মিনিটের বেশি স্ট্যান্ড করা যায় না। আপনি যে খেলাধুলোয় ইন্টারেস্টেড নন, বলল ফেলুদা। তা হলে দেখতেন মাঝে মাঝে...

পাঁচ দিন পরে রবিবারে কলকাতা আর দিল্লির স্টেটসম্যানে বিজ্ঞাপনটা বোরোল। প্রথম দিন কোনও ফলাফল নেই, কেউ যোগাযোগ করল না। বোঝাই যাচ্ছে কলকাতার কেউ নয়; তা হলে এর মধ্যে টেলিফোন এসে যেত, বলল ফেলুদা। বুধবার সকালে ফেলুদার একটা ফোন এল।...

আমাদের হোটেলটা বেশ বড় আর পরিচ্ছন্ন, অথচ ভাড়া খুব বেশি নয়। ট্র্যাভল এজেন্ট ভালই চয়েস করেছিল মশাই বললেন লালমোহনবাবু। টিউব থেকে বেরিয়ে শহরের চেহারা দেখে প্রথমে ভদ্রলোকের মুখ দিয়ে কথাই বেরোচ্ছিল না। শেষে বললেন, আচ্ছা মশাই, আমাদেরও লাল ডবল...

দুদিন পরে অর্থাৎ রবিবার, টাইমসে ফেলুদার বিজ্ঞাপন বেরোল। আর আশ্চর্য ব্যাপার— তার পরদিনই বিজ্ঞাপনের ফল পাওয়া গেল। সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় ফেলুদার ফোন বেজে উঠল। মিনিটখানেক কথা বলে ফেলুদা ফোনটা রেখে বলল, অত্যন্ত রুক্ষ মেজাজের লোক। নাম আর্চিবল্ড ক্রিপস।...

শেয়ার করুন —
Scroll to Top